10/16/2025 | Press release | Distributed by Public on 10/15/2025 21:58
বাংলাদেশকে বিদেশি বিনিয়োগকারী ও পেশাজীবীদের জন্য আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে,বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা),স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)-এর সহযোগিতায় "বাংলাদেশে বিদেশি নাগরিক ও বিনিয়োগকারীদের ওয়ার্ক পারমিট ও সিকিউরিটি ক্লিয়ারেন্স প্রক্রিয়া" শীর্ষক একটি পরামর্শ সভার আয়োজন করা হয়।
এ উদ্যোগটি ইউএনডিপি বাস্তবায়িত "ট্রান্সফরমেটিভ ইকোনমিক পলিসি প্রোগ্রাম (টিইপিপি-II)"-এর অংশ,যা যুক্তরাজ্য সরকারের ফরেন,কমনওয়েথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিস (এফসিডিও)-এর সহায়তায় পরিচালিত হচ্ছে।
বাংলাদেশের দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে দক্ষ বিদেশি পেশাজীবী ও বিনিয়োগকারীদের চাহিদা বাড়ছে। তবে ওয়ার্ক পারমিট ও সিকিউরিটি ক্লিয়ারেন্সের দীর্ঘ ও জটিল প্রক্রিয়া অনেক সময় সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের নিরুৎসাহিত করে। সভায় প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় জোরদার,প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং বিদেশি আবেদনকারীদের জন্য আরও পেশাদার ও ব্যবহারবান্ধব পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান জনাব চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন- এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বক্তব্য রাখেন। তিনি স্বচ্ছতা ও কার্যকারিতা বাড়ানোর জন্য নতুন উদ্যোগের ঘোষণা করেছেন। অটোমেশন প্রক্রিয়া সহজীকরণে বিডা'র অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, "আমরা ১ অক্টোবর থেকে অনলাইন সিকিউরিটি ক্লিয়ারেন্স প্রক্রিয়া চালু করেছি এবং প্রক্রিয়াটিকে আরও দ্রুত ও স্বচ্ছ করতে ভিসা ফি পেমেন্টকে ডিজিটাল করার কাজ করছি।"
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব দেলোয়ার হোসেন অনুষ্ঠানটির সাফল্য নিয়ে তাঁর আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, "কর্মশালাটি সফলভাবে তার উদ্দেশ্য পূরণ করুক। তিনি আরও মন্তব্য করেন যে অধিবেশনটি "প্রাণবন্ত ও ফলপ্রসূ ছিল। তিনি আরো বলেন, বিডার সহযোগিতায় নিরাপত্তা সংক্রান্ত কার্যক্রম শতভাগ অনলাইনে সম্পন্ন করা হয়েছে এবং পাসপোর্ট সেবা সম্পূর্ণরূপে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে রূপান্তরের লক্ষ্যে আমরা ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছি।
ইউএনডিপি টিইপিপি-II& প্রকল্পের আওতায় বিডার ওয়ান-স্টপ সার্ভিস (ওএসএস) এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মধ্যে প্রক্রিয়াটি ডিজিটালাইজ ও সমন্বিত করতে সহায়তা করছে। এই সংস্কার উদ্যোগের লক্ষ্য হলো ম্যানুয়াল ধাপ কমিয়ে আনা, স্বচ্ছতা বৃদ্ধি করা এবং বিদেশি বিশেষজ্ঞ ও বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রক্রিয়াটি আরও সহজ, দ্রুত ও ব্যবহারবান্ধব করা।
এই পরামর্শ সভা বাংলাদেশের বিনিয়োগ পরিবেশকে আরও দক্ষ ও বিনিয়োগবান্ধব করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ,যা দেশের টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক বিনিয়োগ আকর্ষণে সহায়তা করবে।